|
সিংহাসনঃ

প্রণালীঃ
প্রথমে
বজ্রাসনের মত করে বসুন । দুইটি
পায়ের মধ্যে কমপক্ষে ছয় ইঞ্চি ফাঁক করুন। ডান হাতের তালু ডান হাঁটুর উপর এবং বাম
হাতের তালু বাম হাটুঁর উপর রাখুন। হাতের আঙ্গুল ফাঁক থাকবে (চিত্রের ন্যায়) ধীরে
ধীরে শ্বাস ত্যাগ করুন এবং এবার সাধ্যমত জিভ বের করুন্ জিভ বের করার পর শ্বাস
গ্রহণ বন্ধ করুন। কোমর সোজা রাখুন। মুখ টান টান করে চোখ দুটি সম্পূর্ণভাবে এমন
ভঙ্গিতে খুলুন যেন চেহারা সিংহের মতো দেখায়। দৃষ্টি নাকের অগ্রভাগে উপর থাকবে।
প্রতিবার করার পর করার পর শবাসনে বিশ্রাম নিন।
শ্বাস-প্রশ্বাসঃ
আসন অবস্থানকালে শ্বাস প্রশ্বাস
স্বাভাবিক রাখুন। এ ব্যায়াম খুবই ধীরে সুস্থে করহে হবে।তাড়াহুড়া করে যোগাসন করলে
শরীরের ক্ষতি হতে পারে।
অবস্থানঃ
প্রতিবারে ২০-৩০ সেকেন্ড অবস্থান করা
যুক্তিযুক্ত। প্রতিদিন ৩-৪ বার অভ্যেস করা বাঞ্চনীয়।
মনের চিন্তাঃ
শ্বাস
নেয়ার সময় কল্পনা করুন আপনার বুকের পেশী সবল হচ্ছে ।
আপনি প্রকৃতি থেকে প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন গ্রহন করছেন। আর এই অক্সিজেনের ফলে আপনার
শরীর হতে সমস্ত রোগজীবাণু দুরীভূত হয়ে গেছে। প্রশ্বাসের সময় কল্পনা করুন বা অনুভব
করুন আপনার শরীর হতে সমস্ত রোগ জীবানু বের হয়ে গেছে। কল্পনা করুন এ আসনের ফলে
আপনার যৌবন আরও সতেজ হয়ে উঠেছে, আপনার স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনি দেখতে
সুন্দর হয়ে উঠছেন। আপনার শরীরে সিংহের ন্যায় শক্তি হয়েছে।
উপকারিতাঃ
স্মরণ
শক্তি বৃদ্ধির জন্য এই আসন বেশ উপকারী ।
এছাড়া যাদের তোতলামি রয়েছে তারা নিয়মিত ব্যবহার করলে ও মনের জোর থাকলে অবশ্যই সেরে
যাবে। চোখ, কান ও ত্বকের উপকার ও মুখের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পাবে। এই আসন অভ্যাসে
জিহবার জড়তা নষ্ট হয়ে কণ্ঠস্বর সুমিষ্ট হয়। এই আসনে সিদ্ধ হলে বন্ধত্রয়ও সিদ্ধ হয়।
বিঃ দ্রষ্টব্যঃ
এ আসনের পর অবশ্যই শবাসনে বিশ্রাম নিবেন।
্যাসে জিহবার জড়তা নষ্ট হয়ে কণ্ঠস্বর সুমিষ্ট হয়। এই আসনে সিদ্ধ হলে বন্ধত্রয়ও সিদ্ধ হয়। |