| ধারণার
প্রগাঢ় অবস্থার
নাম ধ্যান।
যোগসূত্রাকার
বলে," অন্য সব
চিন্তা পরিত্যাগ
করিয়া শুধু
ধ্যেয় বস্ত্ততে
বারম্বার চিত্তবৃত্তি
হওয়ার নাম ধ্যান।
(তত্র প্রত্যয়ৈকতানতা
ধ্যানম) " ইহাও
বলা যায় চিত্তদ্বার
অখন্ডভাবে
আত্বার স্বরূপ
চিন্তার নাম
ধ্যান। (ধ্যানং
তু রূপচিন্তনম)
মানুষের পরম
আরাধ্য বস্ত্তর
প্রতি যখন একটানা
চিন্তাস্রোত
প্রবাহিত হয়,
প্রবাহের কোন
ফাঁক থাকে না
অর্থাৎ অন্য
কোন প্রকার
বিষয়চিন্তা
আসিয়া মনের
কোণে উঁকিঝুঁকি
মারে না, তখনই
হয় প্রকৃত ধ্যান।
এই ধ্যান সগুণ-নির্গণ
ভেদে সাধারণত
দুই প্রকার।
ইহা ছাড়া স্থূলধ্যান,
সূক্ষ্মধ্যান
ও জ্যোতিধ্যান
ইত্যাদির বিধি
বিধানও শাস্ত্রে
রহিয়াছে। যাহাতে
মূর্ত্তিময়
ইষ্টদেবতাকে
ভাবনা করা যায়
তাহার নাম স্থূল
ধ্যান। যাহার
দ্বারা তেজোময়
ব্রহ্মকে ভাবনা
করা যায় তাহার
নাম জ্যোর্তিধ্যান,
আর যে ধ্যানের
দ্বারা বিন্দুময়
শিব ও কুলকুন্ডলিনী
শক্তিকে দর্শন
করিবার ক্ষমতা
জন্মে তার নাম
সূক্ষ্মধ্যান। |