Durga Puja
Durga Puja
February 08 ,2012

প্রাণায়াম

প্রাণ এবং অপান বায়ুর সংযোগকে বলা হয় প্রাণায়াম। প্রাণাপান সমাযোগঃ প্রাণায়াম ইতীয়িতঃ । শ্বাস এবং প্রশ্বাস এতদুভয়ের অভাবই প্রাণায়ামের যথার্থ লক্ষণ। আসনাদির দ্বারা কায়িক ব্যাপার পরিত্যক্ত হইলে এই প্রাণায়াম ক্রিয়া নিষ্পন্ন হয় (তস্মিন্‍ সতি শ্বাসপ্রশ্বাসযোর্গতি বিচ্ছেদঃ প্রাণায়ামঃ)। প্রাণস্পন্দনকে আয়ত্ত করাই প্রাণায়ামের মূখ্য উদ্দেশ্য। প্রাণ-স্পন্দনকে আয়ত্ত করার অর্থ প্রাণবায়ুকে বশীভূত করা। প্রাণবায়ু নিজ আয়ত্তাধীন না হইলে, মনকেও কিছুতেই আয়ত্তাধীন করা যাইবে না। (চলে বাতে চলং চিত্তং নিশ্চলে নিশ্চলং ভবেৎ)। মনকে স্ববশে আনিতে না পারিলে ইন্দ্রয়ি সমূহকেও বশীভূত করা সম্ভব হইবে না। সুতরাং প্রাণজয়েই মনোজয়, মনোজয়ে ইন্দিয়জয়। সাধারনতঃ মানুষের প্রাণবায়ু একবার শরীরাভ্যন্তরে কোষ্ঠ প্রভৃতি স্থানে গমন করিয়া তথা হইতে আবার দেহের বাহিরে আসিয়া থাকে। এইভাবে একবার ভিতরে, একবার বাহিরে চলিতেছে প্রাণবায়ুর নিয়ত প্রবাহ। এই প্রবাহ থাকিবে ততদিন, যতদিন জীবিত থাকিবে জীব। এই প্রবাহের অভাবে জীবের মৃত্যু হয়। জন্ম-মৃত্যুর এই অবশ্যম্ভাবী পরিণাম হইতে যে ভঅবে অব্যাহতি পাওয়া যায়, প্রাণায়াম তাহারই এক সহজ সাধ্য উপায়। প্রাণশক্তির যাহাতে অযথা ক্ষয় না হয়, তাহার গতিরোধের জন্য প্রাণায়ামই একমাত্র বিজ্ঞান সম্মত উপায়।


উজ্জায়ীঃ
প্রাণায়াম সাধনে কর্তব্য
প্রাণায়ামের প্রকারভেদ।
প্লাবনী প্রাণায়ামঃ
ভস্ত্রিকা প্রাণায়ামঃ
ভ্রামরী প্রাণায়ামঃ
মূর্চ্ছা প্রাণায়ামঃ
শীতলী প্রাণায়ামঃ
সীৎকারীঃ
সূর্য্যভেদনঃ



[First Page] [Prev] Showing page 1 of 2 pages [Next] [Last Page]